ইরানে মুদ্রার রেকর্ড পতনের ফলে সারা দেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের পদত্যাগ এবং মুদ্রাস্ফীতি গুরুতর মাত্রায় পৌঁছেছে।
ইরান তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রতিবাদের সম্মুখীন হয়েছে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির এবং মুদ্রার সংকটের কারণে।

সোমবার ইরানের বিভিন্ন শহরে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়, যেখানে ব্যবসায়ী এবং দোকানদাররা তেহরান, ইসফাহান, শিরাজ এবং মাশহাদসহ প্রধান শহরগুলোতে মিছিল করেছে। এই বিক্ষোভ ইরানি রিয়ালের নাটকীয় মূল্যহ্রাস দ্বারা উদ্দীপ্ত হয়, যা ১.৩৮ মিলিয়ন প্রতি মার্কিন ডলারের সমান হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান মোহাম্মদ রেজা ফারজিনের পদত্যাগের পর ঘটেছে।
এসব বিক্ষোভ ২০২২ সালে মাহসা জিনা আমিনির মৃত্যুর পর থেকে ইরানের সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ। অর্থনৈতিক সংকটটি গুরুতর মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে চিহ্নিত, যেখানে ডিসেম্বরে হারের হার ৪২.২% পৌঁছেছে, খাদ্যের দাম ৭২% বৃদ্ধি পেয়েছে এবং স্বাস্থ্যের সামগ্রী ৫০% বৃদ্ধি পেয়েছে আগের বছরের তুলনায়। মুদ্রার মান ২০১৫ সালে ৩২,০০০ রিয়াল থেকে ১ ডলারের সমান পতিত হয়েছে বর্তমান হারে, যা আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও আঞ্চলিক উত্তেজনা দ্বারা আরও খারাপ হয়েছে।
আরো পড়ুন: ইরান উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির মধ্যে রিয়াল থেকে চারটি শূন্য অপসারণের পরিকল্পনা করছে
FAQ 🧭
- বিক্ষোভের কারণ কী? — ইরানি রিয়ালের রেকর্ড কম মুদ্রা বিনিময় হার এবং ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চাপ, যার মধ্যে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং বেড়ে যাওয়া মূল্য অন্তর্ভুক্ত।
- মুদ্রাস্ফীতি কতটা গুরুতর? — ডিসেম্বরে মুদ্রাস্ফীতির হার ৪২.২% পৌঁছেছে, খাদ্যের দাম ৭২% বেড়েছে এবং স্বাস্থ্য সামগ্রী বছরে ৫০% বৃদ্ধি পেয়েছে।
- ইরানে শেষ বড় বিক্ষোভ কবে হয়েছিল? — গত প্রধান বিক্ষোভ ২০২২ সালে মাহসা জিনা আমিনির মৃত্যুর পর ঘটে।
- অর্থনৈতিক কোন বিষয়গুলো অসন্তোষের সাথে অবদান রাখছে? — আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, মুদ্রার পতন, সম্ভাব্য কর বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক সংঘর্ষ থেকে অনিশ্চয়তা।








